ঢাকা ১০:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নন্দীগ্রামে বিরোধের জেরে বসত বাড়িতে আগুন! সংবাদ সম্মেলনে সাবেক এমপি মোশারফের নামে মিথ্যাচার

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময় : ১১:২৬:১৬ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২৫
  • ৪৩ সময়-দৃশ্য

বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার বুড়ইল ইউনিয়নের কদমকুড়ি গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে হেলাল উদ্দিন তার ১২ শতক জায়গার মালিকানা নিয়ে প্রতিপক্ষের সাথে বিরোধের কারণে গত ২২ জানুয়ারি বগুড়া প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করেন।

সংবাদ সম্মেলনে সে তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, প্রতিপক্ষরা তার জায়গার ঘর ভেঙেছে, গাছপালা কেটেছে ও আগুন দিয়েছে। এতে তার আনুমানিক ৫ লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে উল্লেখ করে।

সেই সাথে বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোশারফ হোসেন ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলাউদ্দিন সরকারসহ কয়েকজন বিএনপি নেতাকর্মীর নামে দোষারোপ করা হয়।

এবিষয়ে জানতে চাইলে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করা হেলাল উদ্দিন ও তার দুই বোন বলেন, সাবেক এমপি মোশারফ হোসেন ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলাউদ্দিন সরকার হামলা ও আগুন লাগানোর সময় ছিলো না কিন্তু আমারা শুনেছি তাদের কথাতেই এই ঘটনা ঘটেছে। এজন্য সংবাদ সম্মেলনে তাদের নাম বলেছি। এদিকে সুত্র জানায়, হেলাল তার ১২ শতক জায়গা নিয়ে প্রতিপক্ষের সাথে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। উক্ত ১২ শতক জায়গায় হেলাল একটি কুঁড়েঘর নির্মাণ করে দখল করেন। জায়গাটি হেলাল দখল করলে প্রতিপক্ষরা রাতের আঁধারে ঘরটি গুঁড়িয়ে দেয় এবং আগুনে পুড়িয়ে দেয়। ঘটনাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে দল থেকে বিচ্ছিন্ন বিএনপি’র সাবেক দুই একজন সুবিধাবাদী নেতা হেলালের সাথে যোগ সাজসে বিএনপি নেতৃবৃন্দের সম্মান ক্ষুন্ন করতে সাবেক এমপি আলহাজ্ব মোশারফ হোসেন ও নন্দীগ্রাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলাউদ্দিন সরকারের নাম জড়িয়ে সংবাদ সম্মেলন করান। উপস্থিত কয়েকজন এলাকাবাসী জানান, হামলার সময় বিএনপি’র কেউ সেখানে উপস্থিত ছিল না, সংবাদ সম্মেলনে তারা কেন বিএনপির নেতৃবৃন্দের নাম বলল এটা বোধগম্য নয়

বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোশারফ হোসেন বলেন, কদমকুড়ির মানুষ আমার প্রতিবেশী। শনিবার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে আমি কদমকুড়ি গিয়েছিলাম। ওই গ্রামের লোকজন ও হেলাল উদ্দিনের বোনদের সাথে আমার কথা হয়েছে। তারা সত্য কথা বলেছে। এঘটনায় আমি ও বিএনপির কেউ জড়িত নাই একথা তারা বলেছে। আসলে আমার ও বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার জন্য বিএনপির সাবেক দুই-একজন সুবিধাবাদী নেতা এই কাজগুলো করাচ্ছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

জনপ্রিয় পোস্ট

বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির কাছে বগুড়াবাসীর ভাগ্য পরিবর্তনের দাবি নিয়ে এমপি মোশারফ

PhotoCard Icon
Create PhotoCard

নন্দীগ্রামে বিরোধের জেরে বসত বাড়িতে আগুন! সংবাদ সম্মেলনে সাবেক এমপি মোশারফের নামে মিথ্যাচার

আপডেটের সময় : ১১:২৬:১৬ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২৫

বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার বুড়ইল ইউনিয়নের কদমকুড়ি গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে হেলাল উদ্দিন তার ১২ শতক জায়গার মালিকানা নিয়ে প্রতিপক্ষের সাথে বিরোধের কারণে গত ২২ জানুয়ারি বগুড়া প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করেন।

সংবাদ সম্মেলনে সে তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, প্রতিপক্ষরা তার জায়গার ঘর ভেঙেছে, গাছপালা কেটেছে ও আগুন দিয়েছে। এতে তার আনুমানিক ৫ লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে উল্লেখ করে।

সেই সাথে বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোশারফ হোসেন ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলাউদ্দিন সরকারসহ কয়েকজন বিএনপি নেতাকর্মীর নামে দোষারোপ করা হয়।

এবিষয়ে জানতে চাইলে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করা হেলাল উদ্দিন ও তার দুই বোন বলেন, সাবেক এমপি মোশারফ হোসেন ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলাউদ্দিন সরকার হামলা ও আগুন লাগানোর সময় ছিলো না কিন্তু আমারা শুনেছি তাদের কথাতেই এই ঘটনা ঘটেছে। এজন্য সংবাদ সম্মেলনে তাদের নাম বলেছি। এদিকে সুত্র জানায়, হেলাল তার ১২ শতক জায়গা নিয়ে প্রতিপক্ষের সাথে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। উক্ত ১২ শতক জায়গায় হেলাল একটি কুঁড়েঘর নির্মাণ করে দখল করেন। জায়গাটি হেলাল দখল করলে প্রতিপক্ষরা রাতের আঁধারে ঘরটি গুঁড়িয়ে দেয় এবং আগুনে পুড়িয়ে দেয়। ঘটনাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে দল থেকে বিচ্ছিন্ন বিএনপি’র সাবেক দুই একজন সুবিধাবাদী নেতা হেলালের সাথে যোগ সাজসে বিএনপি নেতৃবৃন্দের সম্মান ক্ষুন্ন করতে সাবেক এমপি আলহাজ্ব মোশারফ হোসেন ও নন্দীগ্রাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলাউদ্দিন সরকারের নাম জড়িয়ে সংবাদ সম্মেলন করান। উপস্থিত কয়েকজন এলাকাবাসী জানান, হামলার সময় বিএনপি’র কেউ সেখানে উপস্থিত ছিল না, সংবাদ সম্মেলনে তারা কেন বিএনপির নেতৃবৃন্দের নাম বলল এটা বোধগম্য নয়

বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোশারফ হোসেন বলেন, কদমকুড়ির মানুষ আমার প্রতিবেশী। শনিবার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে আমি কদমকুড়ি গিয়েছিলাম। ওই গ্রামের লোকজন ও হেলাল উদ্দিনের বোনদের সাথে আমার কথা হয়েছে। তারা সত্য কথা বলেছে। এঘটনায় আমি ও বিএনপির কেউ জড়িত নাই একথা তারা বলেছে। আসলে আমার ও বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার জন্য বিএনপির সাবেক দুই-একজন সুবিধাবাদী নেতা এই কাজগুলো করাচ্ছে।