বিশেষ প্রতিবেদক: দীর্ঘ ১৯ বছরের উন্নয়নবঞ্চনা কাটিয়ে বগুড়াবাসীর ভাগ্য পরিবর্তন ও জীবনমান উন্নয়নের জোর দাবি নিয়ে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বৈঠক করেছেন বগুড়া-০৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোশারফ হোসেন।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটে বঙ্গভবনে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মহামান্য রাষ্ট্রপতি জনাব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাতকালে সংসদ সদস্যের সহধর্মিণীও তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে এমপি মোশারফ হোসেন বগুড়া জেলার দীর্ঘদিনের অবহেলা ও সার্বিক উন্নয়নবঞ্চনার চিত্র সরাসরি রাষ্ট্রপতির কাছে তুলে ধরেন। বিশেষ করে কাহালু ও নন্দীগ্রাম উপজেলার সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, জনসেবার সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি এবং এলাকার থমকে থাকা উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে নতুন গতি ফেরাতে রাষ্ট্রপতির বিশেষ দিকনির্দেশনা ও সদয় সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
রাষ্ট্রপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করে এমপি মোশারফ বলেন, “দীর্ঘ ১৯ বছর ধরে বগুড়া জেলা কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত। এ অঞ্চলের সর্বস্তরের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন ও উন্নয়নকে এগিয়ে নেওয়া এখন সময়ের বড় দাবি। বগুড়াবাসীর আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে সমন্বিত উন্নয়ন কার্যক্রম জোরদার করা জরুরি। মানুষের জীবনযাত্রার মান বাড়াতে ও অবকাঠামো খাতকে শক্তিশালী করতে সংশ্লিষ্ট সবার যৌথ প্রচেষ্টা ও আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন।”
সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি শুধু বগুড়া নয়, বরং সমগ্র দেশের কল্যাণ ও ধারাবাহিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখার বিষয়ে আলোকপাত করেন। এ সময় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের রাজনৈতিক ও উন্নয়নমূলক অঙ্গীকারগুলো বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার তাগিদ দেন তিনি। জনগণের আস্থা রক্ষা ও দেশ সেবাকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এই সংসদ সদস্য।
সাক্ষাৎ শেষে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে দেশের সমৃদ্ধি, শান্তি ও স্থিতিশীলতার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার প্রত্যাশা জানান এমপি মোশারফ।
এদিকে, কাহালু-নন্দীগ্রামের প্রান্তিক জনগণের ভাগ্যোন্নয়ন ও বগুড়ার হারানো ঐতিহ্য ফেরানোর এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। জনকল্যাণমুখী কাজের অংশ হিসেবে এই সাক্ষাৎকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন তাঁরা। এমপি মোশারফ হোসেনের স্পষ্ট বার্তা— “করবো কাজ, গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।”
প্রতিবেদকের নাম 








