ঢাকা ০২:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেয়ার বিক্রি করে বেক্সিমকোকর্মীদের বেতন দেওয়া হবে: শ্রম উপদেষ্টা

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময় : ০২:২১:৪৯ পূর্বাহ্ণ, বুধবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২৫
  • ২৮ সময়-দৃশ্য

বেক্সিমকো ফার্মা ও শাইনপুকুর সিরামিকের বন্ধকি শেয়ার বিক্রি করে আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যেই বেক্সিমকোর কর্মীদের বকেয়া বেতন পরিশোধ করা হবে বলে জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন। 

এর আগে বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর শ্রম ও ব্যবসায় পরিস্থিতি পর্যালোচনাসংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘বেক্সিমকোর বন্ধ প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মীদের বেতন দিতে ৫৫০ কোটি থেকে ৬০০ কোটি টাকার প্রয়োজন হবে। শেয়ার বেচে এত টাকা না এলেও সরকার এসব বেতন-ভাতা ফেব্রুয়ারির মধ্যে পরিশোধ করবে।’

উপদেষ্টা বলেন, ‘১২টি ব্যাংক থেকে বেক্সিমকো গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ২৮ হাজার ৫৪৪ কোটি ১৪ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছে। কীভাবে এসব ঋণ দেওয়া হয়েছে তার তদন্ত হবে। জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। কারণ বাংলাদেশ ব্যাংকের এক বিলিয়ন ডলারের রিজার্ভ চুরির থেকেও এটি বড় কেলেঙ্কারি।’

ট্যাগ:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইনে গণমাধ্যমকর্মীরা হয়রানি হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শেয়ার বিক্রি করে বেক্সিমকোকর্মীদের বেতন দেওয়া হবে: শ্রম উপদেষ্টা

আপডেটের সময় : ০২:২১:৪৯ পূর্বাহ্ণ, বুধবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২৫

বেক্সিমকো ফার্মা ও শাইনপুকুর সিরামিকের বন্ধকি শেয়ার বিক্রি করে আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যেই বেক্সিমকোর কর্মীদের বকেয়া বেতন পরিশোধ করা হবে বলে জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন। 

এর আগে বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর শ্রম ও ব্যবসায় পরিস্থিতি পর্যালোচনাসংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘বেক্সিমকোর বন্ধ প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মীদের বেতন দিতে ৫৫০ কোটি থেকে ৬০০ কোটি টাকার প্রয়োজন হবে। শেয়ার বেচে এত টাকা না এলেও সরকার এসব বেতন-ভাতা ফেব্রুয়ারির মধ্যে পরিশোধ করবে।’

উপদেষ্টা বলেন, ‘১২টি ব্যাংক থেকে বেক্সিমকো গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ২৮ হাজার ৫৪৪ কোটি ১৪ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছে। কীভাবে এসব ঋণ দেওয়া হয়েছে তার তদন্ত হবে। জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। কারণ বাংলাদেশ ব্যাংকের এক বিলিয়ন ডলারের রিজার্ভ চুরির থেকেও এটি বড় কেলেঙ্কারি।’