ঢাকা ০১:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নন্দীগ্রামে দাসগ্রাম-ধুন্দার রাস্তায় কালভার্ট যেন মরণফাঁদ!

নাজিম উদ্দিন, নিজস্ব প্রতিবেদক: বগুড়ার নন্দীগ্রামে বুড়ইল ইউনিয়নে দাসগ্রাম-ধুন্দার একমাত্র রাস্তার কালভার্টটি ভেঙে পড়ে আছে। প্রায় এক বছর আগে কালভার্টের একটি অংশ ধসে পড়লেও এখনো সংস্কার করা হয়নি। রাস্তায় যাতায়াতকারী যানবাহন ও এলাকাবাসীর জন্য এটি যেন একটি মরণফাঁদ। যে কোনো সময় ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা। হতে পারে প্রাণহানি।

সরেজমিন দেখা যায়, উপজেলার দাসগ্রাম নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল পাড় হয়েই ধুন্দার বাজারে চলে গেছে পাকা রাস্তাটি। রাস্তার মধ্যে বেশ কয়েকটা কালভার্ট। দাসগ্রাম নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল পাড় হয়েই প্রথম যে কালভার্ট তার ছাদের বড় অংশ ভেঙে পড়ে আছে। ভেঙে যাওয়া অংশে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এর ওপর দিয়ে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে এলাকাবাসী। শুধু ভেঙে যাওয়া অংশই নয় পুরো কালভার্টটিই এখন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে গেছে।

স্থানীয়রা জানান, এ রাস্তা ধরেই শিক্ষার্থীদের আশপাশের স্কুল-কলেজে যেতে হয়। হাটবাজারে কৃষিপণ্য আনা-নেওয়া করতে হয়। যাতায়াতের একমাত্র রাস্তার ভাঙা কালভার্টের ওপর দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে যানবাহন। যে কোনো সময় এ কালভার্টে বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা ঘটার আগেই কালভার্টটি সংস্কারের দাবি জানান তারা।

এ বিষয়ে ১নং বুড়ইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান বলেন, দাসগ্রাম রাস্তার কালভার্টটি ভেঙে জনসাধারণ ও যানবাহন চলাচলের অসুবিধা হচ্ছে। এলজিইডি অফিসে যোগাযোগ করা হয়েছে। বাজেট পাস হলেই আমরা মেরামতের কাজ শুরু করব।

জানতে চাইলে এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী আবু তালিম হোসেন বলেন, কিছুদিন আগে কালভার্টটি আমরা পরিদর্শন করেছি অতিদ্রুত মেরামত করা হবে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইনে গণমাধ্যমকর্মীরা হয়রানি হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নন্দীগ্রামে দাসগ্রাম-ধুন্দার রাস্তায় কালভার্ট যেন মরণফাঁদ!

আপডেটের সময় : ০৪:০২:০৪ অপরাহ্ণ, সোমবার, ২০ জানুয়ারি ২০২৫

নাজিম উদ্দিন, নিজস্ব প্রতিবেদক: বগুড়ার নন্দীগ্রামে বুড়ইল ইউনিয়নে দাসগ্রাম-ধুন্দার একমাত্র রাস্তার কালভার্টটি ভেঙে পড়ে আছে। প্রায় এক বছর আগে কালভার্টের একটি অংশ ধসে পড়লেও এখনো সংস্কার করা হয়নি। রাস্তায় যাতায়াতকারী যানবাহন ও এলাকাবাসীর জন্য এটি যেন একটি মরণফাঁদ। যে কোনো সময় ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা। হতে পারে প্রাণহানি।

সরেজমিন দেখা যায়, উপজেলার দাসগ্রাম নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল পাড় হয়েই ধুন্দার বাজারে চলে গেছে পাকা রাস্তাটি। রাস্তার মধ্যে বেশ কয়েকটা কালভার্ট। দাসগ্রাম নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল পাড় হয়েই প্রথম যে কালভার্ট তার ছাদের বড় অংশ ভেঙে পড়ে আছে। ভেঙে যাওয়া অংশে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এর ওপর দিয়ে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে এলাকাবাসী। শুধু ভেঙে যাওয়া অংশই নয় পুরো কালভার্টটিই এখন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে গেছে।

স্থানীয়রা জানান, এ রাস্তা ধরেই শিক্ষার্থীদের আশপাশের স্কুল-কলেজে যেতে হয়। হাটবাজারে কৃষিপণ্য আনা-নেওয়া করতে হয়। যাতায়াতের একমাত্র রাস্তার ভাঙা কালভার্টের ওপর দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে যানবাহন। যে কোনো সময় এ কালভার্টে বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা ঘটার আগেই কালভার্টটি সংস্কারের দাবি জানান তারা।

এ বিষয়ে ১নং বুড়ইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান বলেন, দাসগ্রাম রাস্তার কালভার্টটি ভেঙে জনসাধারণ ও যানবাহন চলাচলের অসুবিধা হচ্ছে। এলজিইডি অফিসে যোগাযোগ করা হয়েছে। বাজেট পাস হলেই আমরা মেরামতের কাজ শুরু করব।

জানতে চাইলে এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী আবু তালিম হোসেন বলেন, কিছুদিন আগে কালভার্টটি আমরা পরিদর্শন করেছি অতিদ্রুত মেরামত করা হবে।