বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপির) ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বগুড়া-০৪ আসনের সাবেক এমপি মোশারফ হোসেনের নেতৃত্বে নন্দীগ্রামে বিএনপির আনন্দ র্যালিতে নেতাকর্মীদের গণজোয়ারে পরিণত হয়েছে।
৩ সেপ্টেম্বর বুধবার বেলা ২টা থেকেই নন্দীগ্রাম বাসস্ট্যান্ড এলাকায় জড়ো হতে থাকে শত শত বিএনপি নেতা কর্মীরা। বিকেল ৪টায় নন্দীগ্রাম বাসস্ট্যান্ড চত্বর থেকে একটি বিশাল আনন্দ র্যালি বের হয়। র্যালিতে প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে ছুটে আসা হাজার হাজার বিএনপির নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। র্যালিতে উপজেলা বিএনপি, পৌর বিএনপি, উপজেলা যুবদল স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলা দল, ছাত্রদল, কৃষক দল সহ বিএনপি অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা এই আনন্দ র্যালিতে অংশগ্রহণ করেন। উক্ত আনন্দ র্যালিতে নেতৃত্ব দেন বগুড়া জেলা বিএনপির (ভারপ্রাপ্ত) সাধারণ সম্পাদক, বগুড়া-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোশাররফ হোসেন। র্যালিটি নন্দীগ্রাম বাসস্ট্যান্ড থেকে শুরু করে বগুড়া নাটোর মহাসড়ক সহ পৌর শহরের বিভিন্ন রাস্তা প্রদক্ষিণ করে। নন্দীগ্রাম বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এসে শেষ হয়। ভিডিও ধারণকালে দেখা যায় ৪০ মিনিটে ও শেষ হয়নি বিএনপি নেতাকর্মীদের র্যালির বহর। এরপর নন্দীগ্রাম শহীদ বীর মুগ্ধ চত্বরে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ আলাউদ্দিন সরকার। উপজেলা বিএনপির সেক্রেটারি মোঃ বেলায়েত হোসেন আদরের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কৃষকদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক, বগুড়া জেলা বিএনপির (ভারপ্রাপ্ত) সাধারণ সম্পাদক ও বগুড়া-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোশারফ হোসেন। প্রধান অতিথি তার বক্তব্য বলেন, বিএনপি সব সময় দেশের সংকটময় পরিস্থিতি উত্তরণে ভূমিকা রেখেছে এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। বিএনপিকে নিয়ে একটি মহল চক্রান্ত চালাচ্ছে। কিন্তু তারা কখনো সফল হতে পরবেনা। মানুষের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্যই বিএনপির জন্ম হয়েছে। জুলাই বিপ্লবে দলের অবদান স্মরণীয়। স্বাধীনতার বিপক্ষ একটি শক্তি নির্বাচন বানচালের পাঁয়তারা করছে। আমাদের প্রিয় নেতা তারেক রহমান নির্দেশে আমরা একত্রিশ দফা বাস্তবায়নের লক্ষে কাজ করে যাচ্ছি। ষড়যন্ত্রকারীদের প্রতিহত করতে ঐক্যবদ্ধ থাকার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয় এবং পরিশেষে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের জন্য নেতাকর্মীদের প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বান জানান প্রধান অতিথি। এ সময় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, বগুড়া জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সরকার মুকুল।এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি জহুরুল ইসলাম,উপজেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল হাকিম, পৌর বিএনপি’র সভাপতি মোঃ আলেকজান্ডার, সেক্রেটারি কেএম শফিউল আলম সুমন, উপজেলা মহিলা দল নেত্রী রেশমারা সাথী, উপজেলা যুব দলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আব্দুর রউফ রুবেল, পৌর যুব দলের আহবায়ক গোলাম রব্বানী, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আবু বক্কর সিদ্দিক রঙিন, উপজেলা ছাত্র দলের সভাপতি জুয়েল রানা, সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান তারেক, পৌর ছাত্র দলের সভাপতি রাকিবুল হাসান পলিন, সাধারণ সম্পাদক নূর নবী, দামগারা সিদ্দিকিয়া সিনিয়র ফাজিল স্নাতক ডিগ্রি মাদ্রাসা ছাত্রদলের সভাপতি জোবায়েদ হোসেন। উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি ইস্কেন্দার মির্জা মিঠু, পৌর কৃষক দলের সভাপতি শ্রী-সুশান্ত কুমার শান্ত সহ ওয়ার্ড বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
