ঢাকা ১০:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বগুড়ায় ডাক্তারের হামলায় ডাক্তার আহত, দুই লাখ টাকা উধাও

চিকিৎসার জায়গায় যেখানে থাকা উচিত মানবতা, সেখানে দেখা গেল সহিংসতার রূঢ় রূপ। বগুড়ার শেরপুরে এক চিকিৎসকের চেম্বারে ঢুকে অপর এক চিকিৎসক ও তাঁর সহযোগীদের হামলায় আহত হয়েছেন ডা. আ. ন. ম. গোলাম হামিম (৩৭)। রবিবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরের এই ঘটনাটি মুহূর্তেই আলোচনায় আসে পুরো পৌর এলাকায়।

ধুনট মোড়ের ব্যস্ত ক্লিনিকপাড়া। দুপুরের রোগী দেখায় ব্যস্ত ছিলেন ডা. হামিম, ন্যাশনাল ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের স্বত্বাধিকারী। ঠিক তখনই ১৪–১৫ জন সহযোগী নিয়ে প্রবেশ করেন শজিমেক মেডিকেল কলেজের প্রভাষক ডা. ইকবাল হোসেন সানি (৩৯)। চেম্বারের দরজা বন্ধ হয়, আর শুরু হয় গালাগাল ও এলোপাতাড়ি প্রহার। মুহূর্তে চেম্বারের সাদা দেয়ালে ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্কের ছায়া।

অভিযোগে বলা হয়, ওই হামলায় ডা. হামিমের ডান হাতের কনুই ভেঙে যায়, বাম কানের পর্দা ফেটে যায়। হামলাকারীরা ক্যাশ ড্রয়ার ভেঙে নিয়ে যায় প্রায় দুই লাখ টাকা, আর পালানোর আগে দিয়ে যায় প্রাণনাশের হুমকি।

ডা. হামিম বলেন, শেরপুরে অ্যানেস্থেসিওলজিস্টদের একটা সিন্ডিকেট চলে ডা. ইকবালের নেতৃত্বে। তাঁদের কথায় না চললে কাজ করা যায় না। আমি এই অবৈধ প্রভাবের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিলাম বলেই আজ এ হামলার শিকার।

অন্যদিকে অভিযুক্ত ডা. ইকবাল হোসেন বলেন,
হামিম আমার জুনিয়র। চিকিৎসকদের গ্রুপে বাজে মন্তব্য করেছিল, তাই কথা বলতে গিয়েছিলাম—কোনো হামলা হয়নি।

শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এসএম মঈনুদ্দিন জানান, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইনে গণমাধ্যমকর্মীরা হয়রানি হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বগুড়ায় ডাক্তারের হামলায় ডাক্তার আহত, দুই লাখ টাকা উধাও

আপডেটের সময় : ০৩:২১:২৩ অপরাহ্ণ, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫

চিকিৎসার জায়গায় যেখানে থাকা উচিত মানবতা, সেখানে দেখা গেল সহিংসতার রূঢ় রূপ। বগুড়ার শেরপুরে এক চিকিৎসকের চেম্বারে ঢুকে অপর এক চিকিৎসক ও তাঁর সহযোগীদের হামলায় আহত হয়েছেন ডা. আ. ন. ম. গোলাম হামিম (৩৭)। রবিবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরের এই ঘটনাটি মুহূর্তেই আলোচনায় আসে পুরো পৌর এলাকায়।

ধুনট মোড়ের ব্যস্ত ক্লিনিকপাড়া। দুপুরের রোগী দেখায় ব্যস্ত ছিলেন ডা. হামিম, ন্যাশনাল ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের স্বত্বাধিকারী। ঠিক তখনই ১৪–১৫ জন সহযোগী নিয়ে প্রবেশ করেন শজিমেক মেডিকেল কলেজের প্রভাষক ডা. ইকবাল হোসেন সানি (৩৯)। চেম্বারের দরজা বন্ধ হয়, আর শুরু হয় গালাগাল ও এলোপাতাড়ি প্রহার। মুহূর্তে চেম্বারের সাদা দেয়ালে ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্কের ছায়া।

অভিযোগে বলা হয়, ওই হামলায় ডা. হামিমের ডান হাতের কনুই ভেঙে যায়, বাম কানের পর্দা ফেটে যায়। হামলাকারীরা ক্যাশ ড্রয়ার ভেঙে নিয়ে যায় প্রায় দুই লাখ টাকা, আর পালানোর আগে দিয়ে যায় প্রাণনাশের হুমকি।

ডা. হামিম বলেন, শেরপুরে অ্যানেস্থেসিওলজিস্টদের একটা সিন্ডিকেট চলে ডা. ইকবালের নেতৃত্বে। তাঁদের কথায় না চললে কাজ করা যায় না। আমি এই অবৈধ প্রভাবের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিলাম বলেই আজ এ হামলার শিকার।

অন্যদিকে অভিযুক্ত ডা. ইকবাল হোসেন বলেন,
হামিম আমার জুনিয়র। চিকিৎসকদের গ্রুপে বাজে মন্তব্য করেছিল, তাই কথা বলতে গিয়েছিলাম—কোনো হামলা হয়নি।

শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এসএম মঈনুদ্দিন জানান, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।